Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Functions of Managerial Finance - অর্থায়নের ব্যবস্থাপকীয় কার্যাবলি


 অর্থায়নের ব্যবস্থাপকীয় কার্যাবলি II Functions of Managerial Finance

 

Functions of Managerial Finance

 

 

একটা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তার ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কার্যাবলির মধ্যে মূলত তিন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহনের কাজকে বোঝায় ।  A business organization refers to three types of decision-making in its management functions.

 

অর্থায়নের ব্যবস্থাপকীয় কার্যাবলি  ৩ প্রকারঃ 3 Types of Managerial Finance Functions

 

১. বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত

২. অর্থসংস্থান সংক্রন্ত সিদ্ধান্ত

৩. লভ্যাংশ সিদ্ধান্ত

 

১. বিনিয়োগ সিদ্ধান্তঃ

একজন আর্থিক ব্যবস্থাপককে যে সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয় তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি হচ্ছে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত । অর্থাৎ কোন কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে কোম্পানির উদ্দেশ্য অর্জনের সুবিধা হবে তা নির্ধারণ করা । সে জন্য প্রয়োজন হবে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত আয় বা মুনাফা পরিমাপ করা । যেহেতু প্রকল্প হতে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত আয় অনুমানের ওপর ভিত্তি করে নির্ণয় করতে হয়, সেহেতু সেখানে রয়েছে অনিশ্চয়তা বা ঝুকি । বিনিয়োগ প্রকল্পকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে – 

 

(ক) দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে বিনিয়োগঃ যেখান থেকে অনেক বছর ধরে আয় করা সম্ভব, এ সব প্রকলল্প বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য মূলধন বাজেট করা হয় ।

 

(খ) স্বল্পমেয়াদি প্রকল্পের বিনিয়োগঃ এই ক্ষেত্রে চলতি সম্পত্তি তে বিনিয়োগের মাধ্যমে মাত্র এক বছর বা তার কম সময়ের জন্য সুবিধা পাওয়া যায় । এক চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা বলা হয় । নিচে মূলধন বাজেটিং এবং চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করা হলো ।

 

মূলধন বাজেটিং: মূলধন বাজেট সিদ্ধান্ত ঐ সকল প্রকল্প নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত যে গুলো থেকে ভবিষ্যতে বেশ কয়েক বছর আয় আসতে থাকবে । এক্ষেত্রে ঐ প্রকল্পের জন্য কী পরিমাণ মূলধন প্রয়োজন, প্রকল্পের কার্যকাল, ঐ প্রকল্প থেকে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত আয়, আয়ের ঝুঁকি প্রভৃতি বিষযে বিবেচনা ও ম্যল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয় । 

 

চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনাঃ ব্যবসায়ের দৈনন্দিন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন কে চলতি মূলধন বলে । এজন্য যে কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে একজন আর্থিক ব্যবস্থাপককে ঐ প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হয় । চলতি মূলধনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোম্পানির লভ্যার্জনক্ষমতা ও তারল্য এর মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানই তার প্রধান কাজ । কোনো কোম্পানি যদি চলতি মূলধনে অধিক বিনিয়োগ করে বা মূলধন যদি অব্যবহৃত থাকে, তাহলে লভ্যার্জনক্ষমতা কমে যায় । আবার যদি চলতি সম্পত্তিতে বিনিয়োগের পরিমাণ তমি যায় তাহলে কোম্পানির চলতি দেনা পরিশোধে সমস্যা দেখা দিবে । 

 

 

২. অর্থসংস্থান সংক্রন্ত সিদ্ধান্তঃ

আর্থিক ব্যবস্থাপকের দ্বিতীয় কাজটি হলো গৃহীত প্রকল্প বাস্তাবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা । অর্থাৎ বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহনের পর ঐ বিনিয়োগের অর্থায়ন কীভাবে করা হবে বা কোন উৎস থেকে এবং কখন ঐ প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা হবে তা ঠিক করা । উক্ত প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের কী পরিমাণ নিজস্ব মূলধন এবং কী পরিমাণ ঋণকৃত মূলধন থেকে সংস্থান করা হবে তা নির্ধারণ করাই হচ্ছে এ সিদ্ধান্তের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় । মালিকের নিজস্ব মূলধন ও ঋণকৃত মূলধনের এই মিশ্রণকে মূলধন কাঠামো মিশ্রণ বলা হয় । যে মূলধন কাঠামো মিশ্রণে মূলধন খরচ সবচেয়ে কম হবে এবং শেয়ারের মূল্য সর্বাধিক হবে, তাকে কাম্য মূলধন কাঠামো বলে ।

 

৩. লভ্যাংশ সিদ্ধান্তঃ

পরিকল্পিত ও গৃহীত প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কোম্পানির যে মুনাফা অর্জন করে, সেই মুনাফা শেয়ার মালিকদের মধ্যে বণ্টনের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আর্থিক ব্যবস্থাপককে নিতে হয় । অর্থাৎ অর্জিত মুনাফার কী পরিমাণ বা কত অংশ শেয়ার মালিকেদের মধ্যে বণ্টন করা হবে, তা ঠিক করে নিতে হয় । কোম্পানির শেয়ার মালিকদের লভ্যাংশের ব্যাপারে প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতে বিনিয়োগের সুযোগ সম্বন্ধে চিন্তাভাবনা করে অর্জিত মুনাফার যে অংশ মালিকদের মধ্যে বিতরণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয় তাকে মুনাফা বন্টন হার বলা হয় । অর্থাৎ যে লভ্যাংশ বণ্টন হার কোম্পানির শেয়ার মালিকদের সন্তুষ্ট রেখে এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সুযোগের সদ্ব্যবহারের সংস্থান রেখে শেয়ার মূল্য সর্বাধিক করতে পারে তাকে ‘কাম্য লভ্যাংশ বণ্টন’ বলে ।

 

Know more about bank cheque 

Post a Comment

0 Comments